কল্যাণপুরী হুযুর কেবলার অমিয় বাণী সংকলন

১) আদব, ভক্তি, মহব্বত, একজন মানুষের বুদ্ধি ও সাহস পূর্ণ মুমিন হওয়ার জন্য একান্ত আবশ্যক।
২) জীব আত্মা জাগতিক দুনিয়ার খআনা খেয়ে জীবিত থাকে, পরম আত্মার আহার হল আল্লাহর জিকইর। আল্লাহর জিকির ক্বলবে না থাকলে নাজাতের আশা করা অনেক বড় ভুল, মূর্খতা এবং হতাশার।
৩) হেদায়েতি আত্মা হলো আল্লাহর নূরদ্বারা আলোকিত থাকে, সেই আত্মা আল্লাহর স্মরণ থেকে এএক মুহূর্তের জন্যও গাফেল থাকে না, এই হেদায়েতি আত্মা অনন্ত অসএটি অনন্ত অসীম জাতপাক নূরের সত্তা।
৪) আল্লাহপাকের ধ্যানের ছবি মোএর প্রিয় নবীজি।
৫) কলবের জিকির জারি এমন একটি নিয়ামত, করেও এর সমপরিমাণ হবে না। করলেও এর সমপরিমান হবে না।
৬) চরিত্র দিয়ে পৃথিবী জয় করা যায়, চরিত্র নষ্ট হলে সমগ্র পৃথিবীী দিয়ে কেনা যাবে না।
৭) তওবাকারী যখন তওবা করে, আল্লাহ মআফ করেন যদি তওবাকারীর তওবা অটল থাকে।
৮) জাগতিক পৃথিবীর আনন্দ হতে দূঃখ-বেদনার কান্না আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়।
৯) জান্নাতের লোভে ইবাদত করো নাযদি তাতে পাওয়ার আশা থাকে, আল্লাহ তাতে নেই; যদি থাকে পাওয়ার আশা আল্লাহকে, তবে ডাকো আল্লাহকে প্রতি নিঃশ্বাসে।শ্বাসের প্রতি।
১০) হে মানবজাতি, যা সৃষ্টি করতে পারো না তা ধ্বংস করোতাদের ধ্বংস করতে যেও না, কারণ এটি মহাপাপের লক্ষণ বহনকারী।
১১) হে রাজা-বাদশা! রাজতন্ত্রের অহংকার তো শুধু এই পৃথিবীতেই, আল্লাহর কাছে তুমিও ভিক্ষুক।
১২) হাশরের ময়দানে জিকিরকারীদএর ডাকে পরম করুণাময় আল্লাহ ও রাসুল (সাঃ) তাদের নিজ ছায়াতলে রাখবেন, জিকিরকারীদের জন্য শাফাআতেএর কোনো প্রয়োজন নেই।
১৩) দরবার শরীফের খানা কোন মানুষএর উপার্জন ও অর্জন নয়; এই খানা ও রিযিক একমাত্র আল্লাহর ইশারা ও আদেশে এসে থাকে, এ তো মাখসুমের খানা।
১৪) দরবার শরীফ মহান আল্লাহপাকের নিজস্ব উপকার সাধনের জন্য নইয়া, এটি মানুষের হেদায়েতের স্থনয়। এটা তো মুমিন ও আবেদদের জন্য নয়নিশ্চিতভাবে জান্নাতি সুগন্ধিএটা মুমিন ও আবেদীদের জন্য নিশ্চিতভাবেই জান্নাতের সুগন্ধি।
পনেরো) হে সৃষ্টি, সৃষ্টিকর্তা হতে এসো! কে সৃষ্টি? কে সৃষ্টিকর্তা? তুমিই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি, তুমিই সৃষ্টিকর্তার সত্তা।
১৬) আল্লাহপাক ঘোষণা করেছেন, ওয়াদা ভঙ্গকারী নিকৃষ্ট।
১৭) সাবধান! পীর বা অল্লাহগণ কোনো চিহ্নএ নিয়ে চিন্তিত নয়, কোন দুঃখে দুঃখিতও নন, কোন ভয়ে ভীতও নন। যেহেতু অলিআল্লাহর হাত স্বযং আল্লাহপাকের সাহায্যের হকারণ অলিআল্লাহর হাত স্বয়ং আল্লাহপাকের সাহায্যের হাত, তাই এ আল্লাহ পরিচালিত।
১৮) মনের ব্যথা বড় কষ্টের, মুসলমান মুসলমানের অন্তরে বযখন আঘাত করা হয়, উভয় অন্তরই ব্যথা অনুভব করে।আঘাত পায়।
১৯) আল্লাহর অমৃত সুধা আহরণে খাওয়া, ঘুম ও অশান্তি কিছুই থাকে না। যে সেই আল্লাহ প্রেমের অমৃত সুধা পান না করেই দুনিয়া হতে প্রস্থান করলো, কাল হাশরে সে-ই দুঃখী, অন্ধ এবং দুর্ভাগা।
২০) আল্লাহ আদমকে সৃষ্টি করতেন না, অন্যথায় আল্লাহর বাসস্থান থাকলে।
একুশ) জীবন ও জীবনের কর্ম দ্বারা ইইতিহাস তৈরি হয়, ইতিহাস জীবন নয়। জীবনের কর্ম দ্বারা ঐ ইতিহাস তৈরি কর, যে ইতিহাস অনন্তকাল কথা বলবে।
২২) যে অপরের উপকার করল সে তার নিযে অন্যের উপকার করল, যে অন্যের প্রতি ঈর্ষা করল সে নিজের প্রতিই হিংসা করল, পরের ধ্বংস চাইলে নিজের ধ্বংসস অনিবার্য।
২৩) মহান আল্লাহতায়ালাকে যে কোযে ব্যক্তি অন্তরে মহব্বতের সাথে স্বীকার করে ও ডাকে, যদি স্বীকার করে ও ডাকে, মহান আল্লাহপাক একদিন তাদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।
২৪) হে মানবজাতি! স্বল্প সময়ের জন্য তুমি মেমানুষ হয়ে পৃথিবীতে এসেছ কারএবং আতিথেয়তা করতে। তুমি কি অতিথি হতে পেরেছ কিঅথবা আতিথেয়তা করতে পেরেছ? ভেবেছ কি পৃথিবীতে তোমার সময়তোমার সময় কতক্ষণ?
২৫) জিকিরকারী জাকেরগণ সবাই আল্লাহর মেহমান, জাকেরদের কাছে মাকসুমের খানা পৌঁছে থাকে। জাকেরগণ সবাই আল্লাহর রহমতি রিযিকের খানা খায়।
২৬) হে জাকেরগণ! রাসুল (সাঃ)এর আদর্শ ও আচরণ অনুসরণ কর।